GPF Balance Check – জিপিএফ ব্যালেন্স চেক

জিপিএফ ব্যালেন্স চেক করতে চাচ্ছেন? অনলাইনে কিংবা এসএমএস এর মাধ্যমে GPF Balance Check করতে পারবেন সহজেই। বিস্তারিত পদ্ধতি দেখানো হয়েছে এখানে।

আপনার জিপিএফ হিসেবে কত টাকা জমা হয়েছে জানতে চাইলে অনলাইনে কিংবা অফলাইনে দুই পদ্ধতিতেই হিসাব চেক করে দেখতে পারবেন। অনলাইনে ফ্রিতে ব্যালেন্স চেক করতে পারলেও অফলাইনের ক্ষেত্রে এসএমএস করতে চার্জ প্রযোজ্য হবে।

জিপিএফ ব্যালেন্স চেক

জিপিএফ হিসাব দেখার জন্য ভিজিট করুন https://www.cafopfm.gov.bd/  এই লিংকে অথবা গুগলে সার্চ করুন cafopfm লিখে এবং প্রথম ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন। এরপর, নিচের দিকে স্ক্রোল করে GPF Information ঘরে Click Here বাটনে ক্লিক করুন।

এখন, আপনার NID/Smart ID কার্ডের নাম্বার প্রথম ঘরে লিখুন। দ্বিতীয় ঘরে আপনার ফোন নাম্বার লিখুন এবং Submit বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনার রেজিস্টার্ড নাম্বারে একটি ৪ ডিজিটের ওটিপি কোড আসবে। সেটি আবারও ফাঁকা ঘরে লিখুন এবং Submit বাটনে ক্লিক করুন। অতঃপর, আপনার জিপিএফ হিসাব দেখতে পারবেন।

এই পদ্ধতি অনুসরণ করে আপনার নিজের সহ যেকোনো বন্ধু বা পরিবারের সদস্যের জিপিএফ ফান্ড ব্যালেন্স চেক করতে পারবেন।

অনলাইনে জিপিএফ ব্যালেন্স চেক

অনলাইনে জিপিএফ ব্যালেন্স চেক করতে আপনার এনআইডি বা স্মার্ট কার্ডের নাম্বার এবং রেজিস্টার্ড মোবাইল নাম্বার প্রয়োজন হবে। এছাড়া, উক্ত রেজিস্টার্ড নাম্বারটি সঙ্গে থাকতে হবে। একটি স্মার্টফোনে অনলাইনে আপনার জিপিএফ হিসাব চেক করতে পারবেন। নিচে ছবিসহ বিস্তারিত পদ্ধতি ধাপে ধাপে দেখানো হয়েছে।

ধাপ ১ – ওয়েবসাইট ভিজিট

জিপিএফ হিসাব দেখার জন্য ভিজিট করুন https://www.cafopfm.gov.bd/  এই লিংকে। অথবা, লিংকটি কপি করে যেকোনো ব্রাউজারে পেস্ট করে এন্টার করুন। অথবা, গুগলে cafopfm লিখে সার্চ করে প্রথম ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন।

gpf balance check

ধাপ ২ – GPF Information

ওয়েবসাইটে ক্লিক করার পর নিচের দিকে স্ক্রোল করতে হবে। নিচে সংযুক্ত স্ক্রিনশটের মতো GPF Information ঘরের ভিতরে একটি Click Here বাটন দেখতে পাবেন। এই বাটনে ক্লিক করতে হবে।

gpf check online

ধাপ ৩ – তথ্য পূরণ ও যাচাই

Click Here বাটনে ক্লিক করার পর একটি পপআপ বক্স আসবে। এখানে, প্রথম ঘরটিতে আপনার NID/Smart ID নাম্বার লিখুন। এরপর, দ্বিতীয় ঘরে আপনার রেজিস্টার্ড মোবাইল নাম্বার লিখুন এবং Submit বাটনে ক্লিক করুন।

জিপিএফ ব্যালেন্স চেক

Submit বাটনে ক্লিক করার পর আপনার রেজিস্টার্ড মোবাইল নাম্বারে একটি এসএমএস আসবে। উক্ত এসএমএস এ ৪ ডিজিটের একটি ওটিপি থাকবে। উক্ত ওটিপি কোডটি আবারও ফাঁকা ঘরে লিখে Submit বাটনে ক্লিক করতে হবে।

তাহলে, আপনার জিপিএফ হিসাবের তথ্য দেখতে পারবেন। এই পদ্ধতি অনুসরণ করে সহজেই যেকোনো বন্ধু বা পরিবারের সদস্যের জিপিএফ হিসাব দেখে দিতে পারবেন।

অনলাইনে জিপিএফ হিসাব দেখার নিয়ম

অনলাইনে জিপিএফ হিসাব দেখতে পারবেন আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোন দিয়েই। স্মার্টফোন দিয়ে জিপিএফ ব্যালেন্স দেখতে ইন্টারনেট কানেকশন থাকতে হবে। তাহলে, নিচে উল্লিখিত তালিকায় থাকা ধাপগুলো অনুসরণ করে সহজেই আপনার ব্যালেন্স চেক করতে পারবেন।

  • ব্রাউজারে https://www.cafopfm.gov.bd/  এই লিংকটি কপি করে পেস্ট করে এন্টার করুন।
  • অথবা, গুগলে cafopfm লিখে সার্চ করুন এবং প্রথম ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন।
  • এরপর, নিচের দিকে স্ক্রোল করে GPF Information ঘরে Click Here বাটনে ক্লিক করতে হবে।
  • পপআপ বক্স আসবে, এখানে প্রথম ঘরে আপনার NID/Smart ID নাম্বার লিখতে হবে।
  • দ্বিতীয় ঘরে আপনার রেজিস্টার্ড নাম্বার লিখতে হবে।
  • অতঃপর, Submit বাটনে ক্লিক করুন। ৪ ডিজিটের একটি ওটিপি আসবে আপনার ফোনে।
  • ওটিপি কোডটি ফাঁকা ঘরে লিখুন এবং Submit বাটনে ক্লিক করুন।
  • তাহলে আপনার জিপিএফ হিসাব অনলাইনে দেখতে পারবেন।

এই পদ্ধতিটি অনুসরণ করলে আপনার GPF balance দেখতে পারবেন। পদ্ধতিটি অনুসরণ করতে সমস্যা হলে, নিচে সংযুক্ত ভিডিওটি দেখুন। এই ভিডিওতে GPF Balance Online Check করার পদ্ধতি দেখানো হয়েছে। নিচের ভিডিওতে ক্লিক করে পুরো পদ্ধতি দেখতে পারবেন।

GPF Balance Check 2026

Follow the steps mentioned in the following list to check your GPF ledger account balance easily.

  • Copy and paste the link https://www.cafopfm.gov.bd/  into your browser and press Enter.
  • Or, search for cafopfm on Google and enter the first website.
  • Next, scroll down and click the Click Here button in the GPF Information section.
  • A popup box will appear; enter your NID/Smart ID number in the first field.
  • Enter your registered mobile number in the second field.
  • Then, click the Submit button. A 4-digit OTP will be sent to your phone.
  • Enter the OTP code in the blank field and click the Submit button.
  • You will then be able to view your GPF account online.

এসএমএস এর মাধ্যমে জিপিএফ ব্যালেন্স চেক

আপনি যদি UAN এর সক্রিয় সদস্য হয়ে থাকেন, তাহলে মোবাইলের এসএমএস অপশনে গিয়ে EPFOHO UAN লিখে 7738299899 নাম্বারে এসএমএস সেন্ড করুন। তাহলে, ফিরতি ম্যাসেজে আপনার জিপিএফ হিসাবের তথ্য জানতে পারবেন।

এছাড়া, এই পদ্ধতিতে ব্যালেন্স যাচাই করতে না পারলে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র সহ হিসাবরক্ষণ অফিসে যোগাযোগ করুন। অথবা, উপরে দেখানো পদ্ধতিতে অনলাইনে জিপিএফ হিসাব যাচাই করতে পারবেন।

জিপিএফ হিসাব কী?

জিপিএফ বা সাধারণ ভবিষ্য তহবিলকে সরকারি কর্মচারীদের জন্য ব্যাংকের ডিপিএসের মতোই একটি বাধ্যতামূলক সঞ্চয় স্কিম বলা যেতে পারে। এই ব্যবস্থায় একজন কর্মচারীকে তার মাসিক মূল বেতনের ন্যূনতম ৫ শতাংশ থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ জমা রাখতে হয়, যা আইবাস++ সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কর্তন হয়ে সরকারি কোষাগারে জমা হয়।

জমানো এই অর্থের ওপর সরকার ১৩ শতাংশ হারে চক্রবৃদ্ধি মুনাফা প্রদান করে, যা দীর্ঘমেয়াদে বেশ বড় অংকের সঞ্চয়ে পরিণত হয়। চাকরিরত অবস্থায় ৫২ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার আগে এই তহবিল থেকে চূড়ান্তভাবে টাকা তোলা যায় না।

তবে প্রয়োজনে ফেরতযোগ্য অগ্রিম নেওয়া যায়, যা পরবর্তীতে সামান্য সুদসহ কিস্তিতে সমন্বয় করতে হয়। কিন্তু বয়স ৫২ বছর অতিক্রান্ত হলে অফেরতযোগ্য অগ্রিম উত্তোলনের সুযোগ থাকে এবং চাকরি শেষে পুরো টাকাটা অবসরের পর আর্থিক নিরাপত্তার বড় অবলম্বন হিসেবে কাজ করে।

জিপিএফ মুনাফা হার কত?

বর্তমানে জিপিএফ-এর মুনাফা বন্টন ব্যবস্থাটি স্ল্যাব বা ধাপভিত্তিক নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে জমানো অর্থের স্থিতি অনুযায়ী মুনাফার হার পরিবর্তিত হয়। যেমন, তহবিলে সঞ্চয়ের পরিমাণ ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হলে ১৩ শতাংশ হারে মুনাফা পাওয়া যায়।

কিন্তু এই সীমা অতিক্রম করলে ১৫ থেকে ৩০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ১২ শতাংশ এবং ৩০ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে জমার ক্ষেত্রে ১১ শতাংশ হারে মুনাফা প্রযোজ্য হয়। অর্থাৎ, সর্বমোট তিনটি ভিন্ন ধাপে এই মুনাফা কার্যকর থাকে। ডিজিটাল যুগে এখন আর দপ্তরে না গিয়েও নিজের স্মার্টফোন ব্যবহার করেই খুব সহজে অনলাইনে জিপিএফ লেজার বা স্লিপ যাচাই করে নেওয়া যায়।

gpf interest rate

তাছাড়া স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে বেতন থেকে টাকা কর্তন হয়ে জমা হওয়ার ফলে এই হিসাবে কোনো প্রকার ভুল হওয়ার সুযোগ থাকে না বললেই চলে।

FAQ

জিপিএফ টাকা কর্তন চাইলেই কি বন্ধ রাখা যায়?

এটি কোনো ঐচ্ছিক বিষয় নয়, বরং একটি বাধ্যতামূলক সঞ্চয় প্রকল্প। নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেক কর্মচারীকে তার মাসিক বেতনের ন্যূনতম ৫ শতাংশ এই তহবিলে জমা রাখতে হয়, তবে সরকারি বিধি মোতাবেক সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ জমার সুযোগ রয়েছে। মূলত চাকরি পরবর্তী জীবনে আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই কাঠামোর ডিজাইন করা হয়েছে। তাই অবসরে যাওয়ার পর জমানো পুরো টাকাটা এককালীন তুলে নেওয়ার পূর্ণ সুবিধা পাওয়া যায়।

শেষ কথা

এখানে দেখানো পদ্ধতি অনুসরণ করে অনেক সহজেই আপনার জিপিএফ ফান্ড ব্যালেন্স চেক করতে পারবেন। প্রতিটি ধাপ ছবিসহ দেখানো হয়েছে। এরপরেও না বুঝলে এখানে সংযুক্ত ভিডিওটি দেখে জিপিএফ হিসাব দেখার পদ্ধতি জানতে পারবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *